পার্ট ১
দীপ: বাবা- মা পিহুকে আমি বিয়ে করেছি কারণ ওর অন্য জায়গা বিয়ে দিয়ে দিচ্ছিল।
বাবা: কী কে পিহু তুই কাকে বিয়ে করে এনেছিস আর কোথায় সে?
দীপ: বাবা ও কে বাড়ির ভিতরে আনিনী কারণ তোমারা কী বলবে হয়তো অপমান ও করতে পারো ওকে ও আমাদের বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে তোমরা বললেই নিয়ে আসছি।
মা : একদম না, ওই মেয়েকে আমি কিছুতেই বরন করে ঘরে তুলবো না আর তুই বিয়ে করার সময় আমাদের মতামত নিয়েছিলি
বাবা: ছি ছি আমার মান সম্মান সব শেষ হয়ে গেল শেষে কিনা একটা মেয়েকে পালিয়ে বিয়ে করে আনলি।
মা: এই জন্য তো এতোদিন আমরা মানুষ করেছি তাই না তোর বৌ নিয়ে যেখানে যাবি যা তুই।
বাবা: যাবে কোথায় কোনো কাজ পারে না চাকরি আছে ওর কী খাবে ও । আর একবার ভাবলি না তুই নিজে তো বাবার টাকায় বসে বসে খাস, একটা মেয়েকে এনে খাওয়াবি কী।
দীপ: বাবা – মা বিশ্বাস কর এসব ভাবার বা তোমাদের Decision নেওয়ার সময় ছিল না। তাই নিজেই Decision নিয়ে বিয়ে করে ফেলেছি।
বাবা: ঠিক আছে করছো সমস্যা নেই , যাও আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাও এবার নিজে কাজ করে সংসার চালাও তখন বুঝতে পারবে তোমার Decision টা কেমন ছিল।
মা: কী বলছো তুমি ও আমাদের একমাত্র ছেলে বাড়ি থেকে বের করে দিলে কোথায় যাবো তুমি এমন করো না।
বাবা: না, ওকে আর ওর বউ কাউকে আমি এই বাড়িতে দেখতে চাই না।
দীপ: ঠিক আছে বাবা আমি পিহুকে নিয়ে চলে যাচ্ছি আর আমার Decision ভুল না বাবা।
মা আসছি ভালো থেকো তোমরা।
মা : দীপ যাস না বাবা
দীপ: চল, পিহু
পিহু: কোথায় যাব।
দীপ: জানি না তবে, বাবা আমাদের মেনে নেবে না আমাকে বলছে বাড়ি থেকে চলে যেতে। চল, আমার সাথে ……..
হ্যালো অন্তুু কই আছিস বন্ধু
অন্তুু: এই তো ক্লাবে কোনো সমস্যা।
দীপ : বাবা তো আমাদের মেনে নিল না বাড়ি থেকে বের করে দিছে এবার কোথায় যাব বন্ধু।
অন্তুু: চিন্তা করিস না আমি এখন ই আসছি কোন জায়গায় আছিস তাই বল।
৫মিনিট পর
অন্তুু: শোন, একটা বাসা ভারা নে তাহলে
দীপ: কিন্তু কই পাবো বাসা আর টাকা ও তো নাই পকেটে ৫০০টাকা আছে মনে হয়।
অন্তুু: শোন, পিহু আমার ছোট বোনের মতো ৫০০০টাকা আছে এটা দিয়ে আপাতত বাসাভারা নে কিছু জিনিস কেন তারপর দেখা যাবে
দীপ: বন্ধু , অনেক উপকার করলি।
অন্তুু: তাত শোন ঠিকানা দিচ্ছি এটায় পৌঁছে বাড়িওয়ালা সাথে আমাকে কথা বলাবি।
দীপ: আচ্ছা আসি।
পিহু: ধন্যবাদ দাদা আসি তাহলে
অন্তুু: আচ্ছা কোনো সমস্যা হলে কল করবে।
মা : তুমি এতো বড় সিন্ধান্ত কীভাবে নিলে ছেলেটা কী করছে, আমার ভালো লাগছে না।
বাবা : শোন তোমার ছেলে বড় হয়েছে আর তোমার কী মনে হচ্ছে কষ্ট আমার হচ্ছে না, তবে আমি ও দেখি বাবা কাছ থেকে দূরে গিয়ে কিছু করতে পারে কিনা জীবনে। সময় হোক দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে।
পিহু: এবার কী করবো দীপ।
দীপ : কেন এবার তুমি শুধু আমাকে ভালোবাসবে
পিহু: ফাজলামো করো না এখন আমাদের কারুর মা বাবা আমাদের মাথার ওপর ছাদহয়ে নেই যা করার আমাদের ই করতে হবে কারণ এখন আমাদের একটা নতুন সংসার হয়েছে।
দীপ: তুমি এতো চিন্তা করো না কাল থেকে ই আমি কাজ খুঁজবো । আজ অন্তুু অনেক হেল্প করলো।
শোন আমি চাল, ডাল কিনে নিয়ে আসি তুমি ঘরেই থেকে দরজা টা দিয়ে দিও।
পিহু : এর আগে কখনো বাজার করেছো?
দীপ: না করিনী কিন্তু বন্ধুরা করতো আমি ওদের সাথে যেতাম। চিন্তা করো না আমি পারবো করতে আর তুমি আমার সাথে আছো না শুধু আমাকে একটু ভরসা করো ভালোবাসা দিও তাহলেই হবে
আসছি সাবধানে থেকো।
পিহু : আচ্ছা তাড়াতাড়ি চলে এসো।
লেখিকা (আরাধ্যা রায়)
Part - 2 পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ সবাইকে
1 মন্তব্যসমূহ
গল্পটা খুব ভালো
উত্তরমুছুন